♦ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে জয় বাংলা বাহিনীর ৭নং প্লাটুন কমান্ডার।
♦ মুক্তিযুদ্ধের সময় সর্বপ্রথম আমিই ঢাকার বিভিন্ন সরকারি অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিকট কাফনের কাপড় ও চরমপ্ত্র পাঠিয়ে সতর্ক করে দেই।
♦ ১৯৯৫ সালে আর্ত-মানবতার সেবায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ভ্রাম্যমান হাসপাতাল স্থাপন করি যা সভানেত্রী শেখ হাসিনা পল্লবী এমডিসি মডেল হাই স্কুল মাঠে উদ্বোধন করেন। এই হাসপাতালের মাধ্যমে গরীব রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়। কিন্তু বিএনপি-জামাত জোট ক্ষমতায় আসার পর ঐ কাযক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। পরবর্তীতে আবার জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হবার পর এ কাযক্রম এখনো অব্যাহত রয়েছে।
♦ আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় ৬৮ টির অধিক পানির পাম্প স্থাপন করি।
♦ বঙ্গবন্ধু কলেজের জন্য ০৬ বিঘা জমি বরাদ্দ করে পল্লবীতে বঙ্গবন্ধু কলেজ প্রতিষ্টা করি। যা বর্তমানে সরকারী হয়েছে। এই কলেজটি বড়বাগের একটি পরিত্যক্ত ভবনে অবস্থান ছিল।
♦ ইসলামিক মহিলা কলেজ নামে একটি ডিগ্রী কলেজের নামে ০১ বিঘা জমি বরাদ্দ নিয়ে প্রতিষ্টা করি শেখ ফজিলাতুন্নেসা ইসলামিক মহিলা কলেজ। এই কলেজটিও ইসলামিক মহিলা কলেজ নামে ঢাকা মহানগরীর ১৫ টি স্থানে ভাড়া বাড়িতে ছিল।
♦ মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ মূল বালিকা শাখার অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি। এই শাখায় এক সময় যাতায়াতের খুবই অসুবিধা হত। আমি নিজে ব্যাক্তিগত ভাবে উপস্থিত থেকে স্কুলের চারপাশে রাস্তাগুলো চওড়া করেছি।
♦ মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ মূল বালক শাখায় একটি বহুতল বিশিষ্ট ভবন নির্মাণসহ পুরানো ভবনকে সংস্কার করে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে ১৩ নং ওয়ার্ডের মনিপুর, বড়বাগ, পীরেরবাগ এলাকার রাস্তা চওড়া করেছি এবং বৈদুতিক ও টেলিফোন পুল রাস্তার একপাশে স্থাপন করেছি।
♦ রুপনগরে ০৫ বিঘা জমির উপরে প্রতিষ্টা করি বাংলাদেশের শ্রেষ্ট বিদ্যাপীঠ মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ ব্রাঞ্চ-১। জননেত্রী শেখ হাসিনা ২য় বারের মত ক্ষমতায় আসার পর উক্ত স্থানে কলেজ শাখার জন্য আরও প্রায় ০৩ বিঘা জমি অনুশাসনের মাধ্যমে বরাদ্দ পাই।
♦ ২০১০ সালে ঐতিহ্যবাহী মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ ব্রাঞ্চ-২ ইব্রাহিমপুরে ১০ (দশ) তলা করে দু’টি ভবন সম্পূর্ণ স্কুলের অর্থায়নে নির্মাণ করি। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার আগ পর্যন্ত এলাকাটি সন্ত্রাস, খুন-রাহাজানি, দখলবাজী, চাঁদাবাজি এবং মাদকদ্রব্যের ঘাঁটি তথা সন্ত্রাসের জনপদ নামে খ্যাত ছিল। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সকল স্তরের জনগণের সহযোগিতায় উক্ত এলাকায় মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ ব্রাঞ্চ-২ স্থাপন করায় বর্তমানে সেই একাকার জনগণ নিরাপদে জীবন যাপন করছেন।
♦ আরেক ঘনবসতি জনপদ সেনপাড়া, কাজিপাড়া ও শেওড়াপাড়া। উক্ত এলাকায় কোন ভাল স্কুল-কলেজ ছিল না। ২০১১ সালে সেখানে বেগম রোকেয়া স্মরণী সংলগ্ন শেওড়াপাড়া এলাকায় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ ব্রাঞ্চ-৩ স্থাপন করেছি। স্কুল ভবনটির অত্যাধুনিক দৃষ্টি নন্দন স্থাপত্য শৈলী দেখে সবাই মুগ্ধ হয়েছে। মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী জনাব নুরুল ইসলাম নাহিদ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এ.কে. আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ভিসি অধ্যাপক ড. আ.আ.ম.স আরেফিন সিদ্দিকসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এই ব্রাঞ্চটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। কারন ২ বছরের মধ্যে ২ টি ব্রাঞ্চ প্রতিষ্ঠা করায় তারা অবাক হয়েছেন। মনিপুর স্কুলে অটিষ্টিক শিশুদের জন্য র‍্যামস সিঁড়ি করা হয়েছে যা অন্য কোন শিক্ষা প্রতিষ্টানে আছে কিনা আমার জানা নেই। প্রত্যেকটি ব্রাঞ্চে ২০ শয্যা বিশিষ্ট মেডিকেল সেন্টার, ডাক্টার ও নার্স রয়েছে। এছাড়া সার্বক্ষনিক জেনারেটর, লিফট, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মিনারেল ওয়াটার, আধুনিক লাইব্রেরী, বিজ্ঞানাগার ইত্যাদি সুযোগ-সুবিধা বিদ্যামান রয়েছে। বর্তমানে মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজের ৫ স্থানে প্রায় ৩৬ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যায়ন করছে। ইতিমধ্যে মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে পাঠদান এবং সবগুলো ক্যাম্পাসকে ডিজিটাল নেটওয়ার্কের আওতায় আনা হয়েছে।
♦ মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজ রুপনগরে ১২ তলা বিশিষ্ট একটি অত্যাধুনিক কলেজ ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। যা ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্ট থেকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা একাডেমিক ভবন নামে নামকরণের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি ছাত্রীদের জন্য একটি বহুতল ছাত্রী হোস্টেল নির্মাণ করা হয়েছে।
♦ মিরপুর ডিগ্রী কলেজের জন্য জমি বরাদ্দ নিয়ে মিরপুর কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পরিণত করি এবং অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করি।
♦ মিরপুর গার্লস আইডিয়াল ইনস্টিটিউটে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করি। সরকারী বাঙলা কলেজে একাধিক বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু করি। এই সময় প্রত্যেকটি স্কুলের জায়গা বিনামূল্যে বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেই এবং তাতে সফল হই। এক কথায় বৃহত্তর মিরপুরের এমন কোন স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদ্রাসা, এতিমখানা, মন্দির-গীর্জা, প্যাগোডা নেই যেখানে আমি লক্ষ-কোটি টাকা সাহায্য করি নাই।
♦ অবহেলিত এই জনপদের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ-কালভার্ট ইত্যাদির ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করি। পল্লবী থেকে বালুঘাট সড়কের মাঝামাঝি ব্রীজটিও আমি নির্মাণ করি। সাবেক মহামান্য রাষ্টপতি মোঃ জিল্লুর রহমান স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী থাকাকালীন উক্ত ব্রীজটি উদ্বোধন করেছিলেন।
♦ ২০০৮ সালে আমাকে ঢাকা-১৫ আসন (মিরপুর, কাফরুল, শেরেবাংলা ও ভাষানটেক থানার একাংশ) থেকে মনোনয়ন দেয়া হলে আমি বিএনপি প্রার্থী হামিদুল হক খানকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে ২য় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হই। এলাকাটি ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সংলগ্ন এবং ঢাকা মহানগরীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান সত্ত্বেও অত্যন্ত অনুন্নত ছিল। বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন উক্ত এলাকায় উন্নয়নের কোন ছোঁয়া লাগেনি। আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হবার পর ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেছি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আমার নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১১ এর অসংখ্য অলিগলি, রাস্তা-ঘাট চওড়া করেছি। কোন কোন অলিগলি ও রাস্তা ৫ ফুট থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত চওড়া করেছি। রাস্তা চওড়া করার পর বৈদ্যুতিক পুলগুলোকে রাস্তার একপাশে স্থানান্তর করেছি। রাস্তা চওড়া করার আগে একটা রিকশা চলাচল তো দূরের কথা খাটিয়া করে লাশ বহন করা সম্ভব হত না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় এত্র এলাকার প্রতিটি রাস্তা-ঘাট উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছি।
♦ এই সরকারের আমলে আমাদের অন্যতম অর্জন হলো মিরপুর গ্রামীন ব্যাংক থেকে আগারগাঁও জাতীয় সম্প্রচার কেন্দ্র পর্যন্ত ৬০ ফুট প্রশস্ত রাস্তাটি নির্মাণ। রাস্তাটি নির্মিত হবার পর উক্ত এলাকার লেন-বাইলেনগুলো উন্নয়ন করা হয়েছে। যার ফলে উক্ত এলাকায় মানুষের জীবন-যাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।
♦ দেশের একমাত্র সরকারী ইউনানী-আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল আমার নির্বাচনী এলাকার ৪নং ওয়ার্ডে অবস্থি। এই কলেজটি অত্যন্ত অবহেলিত ছিল। ছাত্র, শিক্ষক-কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে অনেকগুলো সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতায় উক্ত কলেজটিকে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রুপান্তরিত করেছি। ছাত্রদের জন্য ইন্টার্ন ভাতা চালু করেছি। এছাড়াও ঢাকা ডেন্টাল কলেজ ও হাসপাতালের সার্বিক উন্নয়ন সাধন করেছি।
♦ এক কথায় বলতে গেলে গত প্রায় ৮ বছরে অসংখ্য রাস্তা-ঘাট, ফুটপাত উন্নয়ন ও মেরামত, নতুন পানির পাম্প স্থাপন ও প্রতিস্থাপন, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস লাইন সরবরাহ সুনিশ্চিত করণ, সুপেয় পানি সরবরাহ নিশিত করেছি। মিরপুর শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজের সামনে একটি ফুট ওভার ব্রীজ নির্মাণ, মিরপুর ১৩নং সেকশন ন্যাম ভবনের সামনে একটি ফুট-ওভার ব্রীজ নির্মাণ, মিরপুর মডেল থানার সামনে একটি ফুট-ওভার ব্রীজ নির্মাণ, মিরপুর শেওড়াপাড়া মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও ব্রাঞ্চ-৩ এর সামনে বেগম রোকেয়া সরণীর উপর একটি ফুট-ওভার ব্রীজ নির্মাণ করেছি। এছাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও ৬০ ফুট রাস্তায় মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ বালক শাখার সামনে ফুট-ওভার ব্রীজ নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। বহু কাঙ্খিত ক্যান্টনমেন্ট কচুখেত হতে সরকারী বাঙলা কলেজ দারুস সালাম রোড পর্যন্ত ১০০ ফুট প্রশস্ত রাস্তা নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। যা একনেকে সভায় উত্থাপিত হয়েছে।
♦ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালে নির্বাচনী জনসভায় ৬০ ফুট ও ১০০ ফুট রাস্তা নির্মাণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। ১০০ ফুট রাস্তা নির্মাণ হলে জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্র এলাকাবাসীর মনের মনিকোঠায় আজীবন চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
♦ ২০১০ সালের ১১ নভেম্বর বাংলার প্রতিচ্ছবি স্লোগান নিয়ে স্যাটেলাইট চ্যানেল মোহনা টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু করি। শুরু থেকে আজ পর্যন্ত মোহনা টেলিভিশন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে যুদ্ধপরাধী ও মানবতাবিরোধীদের বিচারের দাবিতে এবং জঙ্গিবাদ নির্মূলে জনমত গঠনে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে।
♦ মোহনা টেলিভিশনে নিয়মিতভাবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব, শহীদ শেখ কামাল, শহীদ জামান, শহীদ শেখ রাসেল, জেল থানায় নিহত জাতীয় চার নেতা তথা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জাতির সামনে এবং আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে ‘আমার চোখে বঙ্গবন্ধু’, ‘জনতার আদালতে জনপ্রতিনিধি’, ‘দৃষ্টিকোণ’, ‘শীর্ষ সংবাদ’, ‘মুক্তি সেনা’ ইত্যাদি অনুষ্ঠান প্রচার করছি। এতে অংশ নিচ্ছেন বিশিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ীসহ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বিশিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ। পাশাপাশি সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড জনসম্মুখে তুলে ধরা এবং গঠনমূলক সমালোচনাকেও আমরা প্রাধান্য দিয়ে থাকি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস একমাত্র মোহনা টেলিভিশন সরকারের ভাবমূর্তি তথা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে আপ্রাণ প্রচেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে। বলা বাহুল্য, যে কারণে আমাদের বিজ্ঞাপন পেতে কিছুটা বেগ পেতে হচ্ছে। তবুও আমরা শত প্রতিকূলতার মধ্যেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রতি বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কারণ জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে এই স্যাটেলাইট চ্যানেলটি সম্প্রচারের অনুমোদন দিয়েছেন।
♦ সমাজসেবক হিসেবে বুদ্ধিজীবী ফোরাম কর্তৃক স্বর্ণপদকসহ দেশে-বিদেশে অসংখ্য সম্মাননা পদক পেয়েছি।
(কামাল আহমেদ মজুমদার এম.পি.)
১৮৮ ঢাকা-১৫